ত্রিকোণ প্রেম, আসলে কী? – Anish Ranjan Chatterjee | ANISH UNCUT

Bengali Writers

প্রেমের দিনে, ত্রিকোণ প্রেম..
(লেখাটি ১৪ই ফেব্রুয়ারি আমার ফেসবুক পেজ ANISH UNCUT এ আমি আগেই POST করেছি।)

প্রথমেই পুলওয়ামা যুদ্ধে শহীদ সৈন্যদের চরনে আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং সবাইকে প্রেম দিবসের ভরপেট্টা শুভেচ্ছা জানিয়ে বর্তমান মনোবিদ্যার অন্যতম জটিল বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাইবো ৷এতো জটিল বিষয়ে এর আগে বাংলা ভাষায় আলোকপাত বা আলোচনা করা হয়নি, তাই for all one is worth আমি চেষ্টা করবো৷

Most popular bengali writer
Most popular bengali writer

প্রেমের ৫ টি মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব হয়,
তার মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত তত্ত্বটি নিয়ে আজ আলোচনা করবো ৷
অন্য ৪টি, আমি পরের ব্লগে আলোচনা করবো ৷
মূলত বাঙলায়, কিছু ইংরাজি শব্দের ব্যবহার স্বাভাবিক ভাবেই থাকবে এই লেখাটিতে ৷

বিষয়টি হলো “LOVE TRIANGLE “ – ভীষণ পরিচিত একটা শব্দ সবার কাছেই, কিন্তু এই বিষয়টির আসল অর্থ অধিকাংশ মানুষের কাছেই অজানা ৷ গতানুগতিক ভাবে একটা ভুল ধারণা বা প্রায় ভুল ধারণা নিয়ে আমরা চলি সবাই ৷ আমরা মনে করি, একজন পুরুষ অথবা মহিলাকে যদি দু’জন বিপরীত লিঙ্গের মানুষ, একসাথে ভালোবাসে, তাকে ত্রিকোণ প্রেম বলে , আসলে সেটা নয় ৷ একজন পুরুষ বা মহিলাকে n সংখ্যক মানুষ একসাথে ভালোবাসতে পারে ৷ ২ হোক বা ১০ হোক বা যা কিছু হোক ৷ তাহলে Triangle শব্দটাই মানুষ কেন ব্যবহার করে? খুব স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন, যেটা সবার মাথাতেই আসা উচিত ৷ কিন্তু আমরা এতো তলিয়ে, সবকিছু চিন্তা করিনা বা প্রয়োজন বোধ করিনা ৷ ভীষণ জটিল বিষয়টিকে, আমি কতটুকু বোঝাতে পারবো আপনাদের জানিনা, তবে চেষ্টা করবো যথাসাধ্য৷

Love is very essential to our well-being.
যদিও মানুষের জীবনে,
এটি বেশিরভাগেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে,
তাদেরকে যখন প্রেমকে সংজ্ঞায়িত করতে বলা হয়, তখন তাদের আলাদা আলাদা প্রতিক্রিয়া হয় ৷
খুব কম গবেষকই প্রেমের ধারণার বিষয়ে একটি কার্যকর তত্ত্ব প্রকাশ করেছেন ৷
১৯৮০ এর দশকের শেষদিকে মনোবিজ্ঞানী Dr. Robert Sternberg দ্বারা নির্মিত প্রেমের ত্রিভুজাকার তত্ত্বটি নিয়ে আমি আজ আলোচনা করবো, আশা করবো আমার লেখাটা পড়ার পর, আপনাদের ধারনা স্পষ্ট হবে ৷

তাঁর তত্ত্বটি পরামর্শ দেয় যে মানুষের জীবনে কোনও এক মুহুর্তের
ঘনিষ্ঠতা(intimacy),
আবেগ (passion) এবং
প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা (commitment)

এই ৩ টে component রয়েছে,
যা ত্রিভূজের ত টি বাহুর স্বরূপ এবং
এর নিরিখে ভালোবাসা ৮ প্রকারের হয়৷

popular writer kolkata
popular writer kolkata

প্রেমের তিনটি উপাদান :

American psychologist Dr. Robert Sternberg এর তত্ত্বে, প্রেমের ধারণাটি একটি প্রেমের ত্রিভুজ হিসাবে চালু হয়েছিল যা তিনটি উপাদান নিয়ে গঠিত :

1> Intimacy :

যার মধ্যে ,
সংযোগ (closeness) এবং
বন্ধনের অনুভূতি (connectedness and bondedness) প্রকাশিত ৷

2> Passion :

যা অনুভূতি (feelings)
এবং আকাঙ্ক্ষার (desires) সাথে জড়িত,
যেটি শারীরিক আকর্ষণ (physical attraction) ,
রোম্যান্স এবং
যৌন গ্রহণের (sexual consummation)
দিকে মানুষকে পরিচালিত করে ৷

3> Decision/Commitment :

প্রতিশ্রুতি বা Commitment হলো সেই বিষয় বা অনুভূতি যা কোনও ব্যক্তিকে কারও সাথে থাকা এবং সবকিছু একসাথে ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যগুলির দিকে এগিয়ে দেয়, যাকে আমরা সংসার বলে থাকি ৷

Finding a balance between the physiological need for sex and the need for love is essential.

Bengali writer
Love triangle

প্রেমের প্রকার :

প্রেমের তিনটি উপাদান একে অপরের উপরে কাজ করে ৷
একটি পদ্ধতিতে ইন্টারঅ্যাক্ট করে ৷ প্রেমের দুটি বা ততোধিক উপাদানগুলির সংমিশ্রণের ফলে সাত ধরণের প্রেমের অভিজ্ঞতা মানুষের তৈরি হয় ৷

These types of love may vary over the course of a relationship as well.

1. Liking / Friendship : এই ক্ষেত্রে শুধু intimacy(ঘনিষ্ঠতা) বর্তমান, তবে রোমান্টিক অর্থে passion (আবেগ) এবং commitment (প্রতিশ্রুতি) এই ক্ষেত্রে সাধারণত দেখতে পাওয়া যায়না ৷ Friendship love can be the root of the main forms of love.

2 . Infatuation (মোহ) : এইক্ষেত্রে একটি স্থায়ী, গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রেমের জন্য যা লাগে তা তাদের কাছে রয়েছে কিনা, তা তারা নিজেরাই পুরোপুরি জানে না ৷ এই ক্ষেত্রে শুধু Passion (আবেগ) উপস্থিত থাকে, মূল দুটো components, intimacy(ঘনিষ্ঠতা)ও commitment (প্রতিশ্রুতি)দেখা যায়না ৷ This type of love is characterized by feelings of lust and physical passion without liking and commitment অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি ছাড়াই অভিলাষ এবং শারীরিক আবেগ অনুভূতি দ্বারা চিহ্নিত করা হয় এটাকে ৷তবে এই zone টা কমে যাওয়ার পর, ভালবাসার মূল রূপগুলি বিকাশ লাভ করতে পারে, যদিও সে সম্ভবনাও থাকে কম ৷ সর্বাপেক্ষা দূর্বল ভালোবাসার প্রকার হলো infatuation ৷ তাই এর আগেও আমি লিখেছি – প্রথম প্রেম বা Infatuation অপেক্ষা প্রকৃত ভালোবাসা মানুষের জীবনে থাকা প্রয়োজন ৷ যেটা মূলত একটু পরের দিকেই আসে ৷

Best Bengali freelance dialogue writer
Anish Ranjan Chatterjee

3. Empty Love (শূন্য ভালোবাসা) : ভীষণ কষ্টকর এই ধরনের সম্পর্ককে পরিচালিত করা ৷কারণ এইক্ষেত্রে শুধু commitment উপস্থিত; intimacy(ঘনিষ্ঠতা), Passion (আবেগ)কিছুই থাকেনা ৷ যন্ত্রের মতো জীবন, কোনও আবেগ বা ঘনিষ্ঠতা ছাড়াই,শুধু প্রতিশ্রুতি দ্বারা চিহ্নিত করা হয় ৷ For instance, an arranged marriage – অনেকক্ষেত্রেই এইরকম শুরু হয়, সময়ের সাথে সাথে অধিকাংশক্ষেত্রেই যা পরিণত ভালোবাসার রূপ পায় ৷ প্রেমের অন্য রূপগুলোতে পরিণত হতে পারে ৷ যেগুলো আমি নীচে আলোচনা করবো ৷

4. Romantic Love (প্রণয়মূলক ভালোবাসা) : হ্যাঁ বাজারে এটাই এখন trend, সব কিছু করো কিন্তু commitment এর বেলায়, কোমা বদলে আলু বোমা ৷ intimacy(ঘনিষ্ঠতা), Passion (শারীরিক আবেগ) সব থাকবে কিন্তু commitment এই ক্ষেত্রে থাকেনা ৷ এই জাতীয় সম্পর্কের অংশীদারদের মধ্যে গভীর আলাপ হয় যা তাদের একে অপরের সম্পর্কে অন্তরঙ্গ বিবরণ জানাতে সহায়তা করে ৷তারা যৌন আবেগ এবং affection (স্নেহ ) উপভোগ করে ৷ These couples may be at the point where long-term commitment or future plans are still undecided.

5. Companionate Love (সমভাগী ভালোবাসা) : এই প্রকার ভালোবাসায় intimacy(ঘনিষ্ঠতা) ও commitment (প্রতিশ্রুতি) দেখা গেলেও, Passion (শারীরিক আবেগ) অনুপস্থিত থাকে ৷ এটি মনকেন্দ্রিক pure love হিসাবে পরিগণিত ৷ Companionate love is an intimate, but non-passionate type of love. একে সঙ্গী প্রেমও বলা হয়ে থাকে ৷ এটি সাধারণ বন্ধুত্বের চেয়ে শক্তিশালী কারণ দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি রয়েছে । এখানে ন্যূনতম বা কোনও যৌন ইচ্ছা প্রকাশ পায়না ৷ এটি সেইসব বিবাহগুলিতে পাওয়া যায় যেখানে শারীরিক আবেগ মৃত, তবে এই দম্পতিরা একসাথে গভীর স্নেহ বা দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে ৷ এছাড়াও এটি খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং family members দের মধ্যে দেখা যেতে পারে ।

Best bengai  writer 2020
Best human psychological writer

6. Fatuous Love (উদ্দেশ্যহীন বা আত্মতৃপ্ত ভালোবাসা) : Commitment (প্রতিশ্রুতি)এবং Passion (শারীরিক আবেগ) সম্পূর্ণমাত্রায় থাকলেও, intimacy(ঘনিষ্ঠতা) দেখা যায়না ৷ ভীষণ কম পরিমাণ মানুষের মধ্যে এটি দেখা যায় । আমি ব্যক্তিগত ভাবে, এটিকে CRITICAL LOVE হিসাবে define করি ৷ অনেকটা whirlwind courtship বলা যায় ৷ মানে ধরুন, সবটাই হঠাৎ করে ঘটা, ২ সপ্তাহ প্রেম করলেন, বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন, বিয়েও করলেন পূর্ণ সম্মতিতে ৷ যেহেতু চেনাজানাটা খুব অল্পদিনের, তাই intimacy index টা gradually grow করে কিন্তু যৌনতা এবং commitment এর দিক থেকে কোনও সমস্যা হয়না ৷ আবেগ , ঘনিষ্ঠতার স্থায়ী প্রভাব ছাড়াই প্রতিশ্রুতিবদ্ধকে প্রেরণা দেয় এই ভালোবাসা ৷ It’s almost like the couple wants to be in love but there is no real emotional bond, the couple makes a commitment based on sexual favour without forming a deep emotional bond to stabilize the relationship. সুতরাং আমার বর্ণনা থেকে, নিশ্চয় বোঝা যাচ্ছে, এই বিয়ে গুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়না, দু-একটা ছাড়া৷

7. Non-love (অপ্রেম / প্রেমহীনতা) : বর্তমানে অনেককেই দেখতে পাই, তারা তাদের profile এ ‘অপ্রেমিকা’ / ‘অপ্রেমিক’ কথাটি ব্যবহার করছে, শব্দটির আসল অর্থ জানাটা দরকার ৷ যৌনতার শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজন এবং প্রেমের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া অপরিহার্য ৷ Commitment (প্রতিশ্রুতি),Passion (শারীরিক আবেগ) এবং intimacy(ঘনিষ্ঠতা) এই তিনটি মৌলিক উপাদানের, সম্পূর্ণ অনুপস্থিতিকে প্রেমহীন বা অপ্রেম হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় ৷

8. Consummate Love (সুসম্পূর্ণ / অন্তরঙ্গ ভালোবাসা) :
This is the best kind of love . Ideal Love এটাকেই বলে ৷ ১ – ২ % মানুষের জীবনে এটা হয়তো দেখা যায় ৷ ভালোবাসার ৩ টে components ই সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত থাকে, এই প্রকার ভালোবাসায় ৷ Couples who experience this kind of love have great sex several years into their relationship. তারা অন্য কারও সাথে নিজেদের কল্পনা করতে পারে না ৷ তারা তাদের, সেই নির্দিষ্ট মানুষটি ছাড়া সত্যিই খুশি থাকতে পারে না ৷ তারা সমস্ত রকম চাপ, নিজেরাই কাটিয়ে উঠতে পারে, একে অপরের সাহচর্যে ৷ Consummate Love অর্জনের চেয়ে বজায় রাখা বেশি কঠিন কারণ কোনও ক্ষেত্রে যদি ন্যূনতম একটা component, ধরুন Passion (শারীরিক আবেগ) টা চলে যায় বেশ কিছু বছর পর, তবে companionate love এ পরিণত হয় ৷

Bengali blogger
Bengali blogger

Synopsis :- The TRIANGLE theory is dependent on the fact that the importance of each component may differ from one person to another and from one couple to another.

_____ Anish Ranjan Chatterjee

গেল বোঝা ? – Anish Ranjan Chatterjee | ANISH UNCUT

Best Bengali quotes , Behala Parnashree writer Anish Ranjan Chatterjee

তো,
কী যেনো বোঝাতে চলে আসলাম,
সেরকম কোনও Rocket science নয়,
খুব সাধারণ কিছু বিষয়,
যা প্রায় প্রত্যেকেরই জানা,
কিন্তু সময় অন্তরে গুলিয়ে যায় :

popular bengali creative tagline dialogue west bengal Anish
Anish Ranjan Chatterjee

ভালো মানুষগুলোর সাথে
কখনো প্রতারণা করবেন না,
কারণ তারা এমনিতেই প্রচুর কষ্টে থাকেন,
আর খারাপদের সাথেও নয়,
এতে তাদের আরও খারাপ হয়ে যাওয়ার,
প্রবল সম্ভবনা থাকে,
যদি কোনও মানুষের প্রভাব
আপনার জীবনে ক্ষতিসাধন করে,
তাহলে ঘুরিয়ে তার ক্ষতি করতে না গিয়ে
দূরে সরে আসুন,
যাতে সে দ্বিতীয় সুযোগ না পায়,
এতেই লাভবান হবেন,
কারণ রেষারেষিতে,
শুধু নিজের নয়,
পারস্পরিক ভাবে,
সমাজিক শান্তিও বিঘ্নিত হয়
কোনও মানুষের কাছে
সস্তা হয়ে ওঠার আগেই,
নিজেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত
এতে মানুষ পরে কষ্ট কম পায়,
সন্মান থাকতে থাকতে সরে আসাটা
সেরা সিদ্ধান্ত সবসময়
যাকে কখনো পাবেননা
তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাটা,
নিজেকে কষ্ট দেওয়া ছাড়া
আর কিন্তু কিছুই নয়

bengali dialogue writer kolkata
Anish Ranjan Chatterjee

কিছু মানুষ থাকে,
যারা ভালোবেসে যায় গোপনে,
তারা বিনিময়ে কিছুই
পাওয়ার আশা রাখেনা
কিছু পায় ও না,
তবে পুরো জীবনটা
সেই ব্যক্তির নামে
উৎসর্গ করে যায় ;
আসলে মানুষ
যতই ক্ষমতাশালী হোক
না কেনো,
ভালোবাসার মানুষটির
সামনে সে সব সময়
শিশুর মতোই দূর্বল এবং অসহায়,
আর
পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মম কষ্ট হলো
আপনি এমন একজনকে ভালোবাসেন,
যাকে দিয়ে আপনার
সমস্ত অস্তিত্ব ঘেরা,
কিন্তু তার জগতে
আপনার বিন্দুমাত্র
স্থান নেই ;
আর এই বিষয়টা নিয়ে
আমি আগেও লিখেছি,
আবারও বলছি,
যে ইচ্ছাকৃত অন্যকাওকে ছেড়ে
আপনার কাছে আসতে পারে,
সে আপনাকে ছেড়েও
অন্য গলি খুঁজে নিতে পারে,
যে একবার ঠকিয়েছে
তাকে দ্বিতীয়বার বিশ্বাস
কখনোই নয়,

creative bengali blogger kolkata

অন্যের ধর্মকে
অসন্মান করার অর্থ হোলো,
নিজের ধর্মকে অপমান করা ;
কারণ সবথেকে বড় ধর্ম কিন্তু মানবধর্ম,
এই সহজ সত্যিটা মাথায় রেখো,
হিন্দু হিন্দুর জায়গায় ঠিক,
মুসলিম মুসলিমের জায়গায়,
খ্রীষ্টান আবার সবেতেই সঠিক,
তো আমরা এটা জানি কী-
আমরা সবাই বেঠিক!
ধর্ম; মানুষের??

Best bengali creative punchline writer
ANISH UNCUT

কোথায় তুমি??- Anish Ranjan Chatterjee

Best Bengali Innovative Creative Tagline Punchline Dialogue Writer Anish Ranjan Chatterjee
Most popular Writer in Kolkata
Anish Ranjan Chatterjee

(৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯, আমার page- ANISH UNCUT এ লেখাটি Publish করেছিলাম৷)

আমার
আশা তুমি
ভরসাও তুমি,
সুখ তুমি
দুঃখও তুমি,
কান্না তুমি
হাসিও তুমি,
রাগ-অভিমান
সেটাও তুমি,
দিন তুমি
রাত তুমি
রোদ-বর্ষা
বসন্ত তুমি,
শীতের রাতে
ক্যাথা তুমি,
প্রবল বৃষ্টিতে
ছাতা তুমি,
আবেগ তুমি
অহংকার তুমি,
আলো তুমি
আঁধারও তুমি,
স্বপ্নে আমার
শুধুই তুমি,
ভালোবাসার
মানেও তুমি,
অলস বিছানায়
আদিম-অসুখ
তুমি,
মিডনাইটের
ক্রাইসিস তুমি,
মাথাব্যাথার
স্যারিডন তুমি,
গভীর জ্বরের
ক্যালপল তুমি,
চিনি নয়
স্যাকারিন তুমি,
ভালো – খারাপ
নিয়েই তুমি,
চাওয়া,
না পাওয়া
দুটোই তুমি,
মনের বন্ধ তালার
চাবিও তুমি,
চরম শীতের
সোয়েটার তুমি,
একলা রাতের
পাশবালিশ তুমি,
আমার
কালো ফুসফুসের
নিকোটিন তুমি,
শুকনো ঠোঁটে
বোরোলিন তুমি,
পেঁয়াজের চেয়েও
দামী তুমি,
গরম বিরিয়ানীতে
নরম আলু,
তুমি,
কালো সিল্কে
উর্বশী তুমি,
গভীর ক্ষতে
আঁকো চুমু,
তুমি ;

বছর শেষের
লেখাতেও তুমি,
আমার প্রোটোপ্লাজমে
নিউক্লিয়াস তুমি,
শুধু কল্পনা নয়,
বাস্তবে হবে ;
কবে তুমি?
তাহলে,
আসছে বছরে
আসছোতো তুমি?
আমার সম্পূর্ণ অস্তিত্ব
জুড়ে শুধুই তুমি,
জি বাংলা নয়,
জীবন মানে
Only তুমি,
কোহলের গেলাসে
বরফের কেলাস তুমি,

যদি আবারও জন্মায়
তখনও তুমি ;
সবশেষে বলো
আছো কোথায় তুমি?
কোথায় তুমি??
তুমি ??

হ্যাঁ আমরা প্রস্তুত

প্রথমেই Anandabazar Patrika কে ধন্যবাদ,
লেখাটি ২০ ফেব্, প্রকাশ করার জন্য, নদিয়া – মুর্শিদাবাদ প্রচ্ছদে ৷

ক্ষতিটা পুরো দেশের হয়েছে
তাই ক্ষতিপূরণের দায়িত্বও পুরো দেশবাসীর ,
শুধুমাত্র ভারত নয় রবি ঠাকুরের আরেক দেশ বাংলাদেশেরও অসংখ্য ভাই-বোনেরা গতকালের বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে, আমাকে দ্রুত কিছু লেখার জন্য বলেছেন৷ তোমাদের সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধের পরিচয় পেয়ে আমি আরো অনেকটা মনের জোর পেয়েছি৷ সুস্পষ্ট স্বীকারোক্তি , তোমাদেরও পাশেই আছি সবসময়…

ধন্যবাদ Bangladesh

ANISH UNCUT
Anish Ranjan Chatterjee

গতকালের মর্মান্তিক কাপুরুষোচিত দেশীয় ক্ষতির পর আমরা নিজেদের ক্ষমতার আস্ফালন অনেক করে ফেলেছি,
শোকমিছিল, মোমবাতি মিছিলও অনেক হলো,
যা ক্ষতি হয়ে গেছে তার কিছুমাত্র সুরাহা হলো কী?
হলোনা, কারণ
প্রতিবাদের ভাষা এটা নয়,
আমি গতকাল ভাষাহীন হয়ে পড়েছিলাম,
সুবৃহৎ দেশীয় ক্ষতিকে সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করা যায়না ;
ঘটনার তীব্রতা ঠিক এতটাই কষ্টজনক, যে যাই লিখবো, সেটাই কম মনে হবে..
মানবিকতার এতবড় অবক্ষয়, মেনে নেওয়া তো দূরের কথা, ভাবতেও ঘেন্না হচ্ছে ,
গান্ধী নীতি অনেক হলো,
এবার নেতাজিবাদ কী শুরু হলো?
না এখনো শুরু হয়নি,
তবে হওয়ার আশা রাখি ,
সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারের অধিকার দেওয়া হয়েছে..

সৈনিকে পরিণত হওয়ার সৌভাগ্য নিয়ে আমরা অনেকেই জন্মায়নি, একটা বিপুল পরিমাণ দেশীয় ক্ষতির সমাধান শুধুমাত্র আমাদের লেখার মাধ্যমে সম্ভব নয়।
এক দেশ মঙ্গলে প্রান খুঁজছে
আর এক দেশ প্রানবিনাশের খেলায় মাতছে,
কঠোর দেশীয় প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় তামাম দেশবাসী
বদলা শুধু সময়ের অপেক্ষা,
যদিও শুধুমাত্র বদলা নয়
সঙ্গে বদলও চাই..
যা কিছু করার সবটাই আমাদের দেশের বীর সেনা জওয়ানেরা আবারও করবে,
আমরা আশারাখি প্রতিবাদের মাত্রাটাকে ভয়ানক মাত্রায় নিয়ে যেতে পারবো সবাই এবং সব শ্রেনীর এবং সব ধর্মের মানুষ ,
এটাই এইমুহূর্তে আমাদের একমাত্র অঙ্গীকার হওয়া উচিত,
যাতে ভারত শব্দটা আতঙ্কবাদীদের কাছে দিনগত দুঃস্বপ্ন মনে হয় । আতঙ্কবাদের ধর্ম হয়না, এটা একটা নোঙরা practice. যেটা আমি বলে নয়, অধিকাংশ মানুষ মনে করেন । ধর্মীয় বিতর্ক নয়, সার্বিক সুস্থ বিকাশের প্রয়োজন, কোনও ধর্মেরই উচিত নয়, নিজেদের জঙ্গী মতবাদে দীক্ষিত করার ৷

সেলেবরা শুধু কথায় নয়
কাজেও এগিয়ে আসুন,
আপনাদের আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন নিহত সৈনিক পরিবারগুলোর মধ্যে, আর আমাদের বিশ্বাস আপনারা নিশ্চয় সেটা করবেন ৷

আর আরেকটা অনুরোধ সব্বার কাছে, ভারতবাসীর উচিত, পরবর্তী বছরগুলোতে, ১৪ই ফেব দিনটা শুধু “ভ্যালেনটাইন ডে” এর পরিবর্তে “NATIONAL LOSS DAY” হিসাবে পালন করার৷

আর আমি হয়তো এটাও জানি যে আমার এই অনুরোধটা অনুরোধ হিসাবেই ফেসবুকের পাতায় হারিয়ে যাবে, আজকের পর আর হয়তো কারো মনেও থাকবেনা……

আসলে লেখার ইচ্ছেটা তখন হারিয়ে ফেলি
যখন দেথি,
সমাজ কথা মানছেনা
মানবিক পরিবর্তন হচ্ছেনা
প্রতিশ্রুতি পচে গিয়ে অবক্ষয়ের আবহবিকার জমজমাট করছে..

তোমাদের – Anish Ranjan Chatterjee

কিছু অভাগা মানুষ কাঁদে ভুল মানুষের জন্য..

কিছু অভাগা মানুষ কাঁদে ভুল মানুষের জন্য..
কিছু অভাগা মানুষ কাঁদে ভুল মানুষের জন্য – Anish Ranjan Chatterjee – ANISH UNCUT

কি বললেন কাকা?
সম্পর্ক?
ওহ্ আচ্ছা!!!!!!
(সে তো বৈধের থেকে আজকাল,
অবৈধের সংখ্যা বেশি..
পরকীয়া তো জলভাত,
যে যাকে পাচ্ছে খাচ্ছে,
বিশ্বাসযোগ্য প্রেমিকের বানানো MMS clips প্রতিদিন upload হচ্ছে দেশী ”পানু” site গুলোতে,
সেখানে ৯৮% ক্ষেএে শুধুমাএ প্রেমিকার অনাবৃত শরীর দেখা যাচ্ছে,
রতিক্রিয়ার চরম সুখে সে লিপ্ত,স্বাভাবিক ব্যাপার,
সে তো জানেও না,যে এই mms বিক্রি করেও,
পয়সা রোজগারের জঘন্য মানসিকতা,
কোনও মানুষের থাকতে পারে,
হ্যাঁ,মানুষেরই থাকে,
অন্য জীব জন্তুর নয়…
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ
অথচ মানসিকতায় সবার নিচে,
কিন্তু ছেলেটির কোনও অংশই clip এ নেই
সে নিজেকে বাচিঁয়েও ফেললো
পয়সাও চলে আসল
যৌনতাও উপভোগ করে ফেললো,
তারপর ছুটলো পরবর্তী ভোগের সন্ধানে,
রস শুষে,ছিবড়ে ছুড়ে ফেলার পুরনো উদ্দেশ্যে…
লোকলজ্জা বাচাঁতে তথন আত্মহত্যায় একমাত্র অবলম্বন মেয়েটার কাছে
তো সে সেটা করে ফেললো
একটা যুগ শেষ হয়ে গেলো
প্রেমিক হয়তো খবরও পেলো না..
কী করে পাবে??
সে তো তখন তার পরবর্তী hidden video টা বানাতে বড্ড বেশী ব্যস্ত৷
সেই clips গুলোই বেঁচে রইল
বহু যুবক-যুবতীর masturbation এর রসদ হিসাবে৷)
লোম না ওঠা বাচ্চাও, বৌদিবাজি তে হাত পাকাচ্ছে,
cyber-sex তো জলভাত,
তারায় আবার gf/bf এর সামনে সদ্যজাত শিশুর অভিনয় করে,
বিশ্বাসযোগ্যতার নকল certificate যোগাড় করে ফেলে হামেশাই….
একটা মেয়ের কমপক্ষে ২টো bf,২ টো back up; গোটা ৫এক waiting list..
ছেলেদেরও আবার সুন্দর মুখ,(potato highly defective, সাধারণ রোগ)
top geographical figure চায়,
(পাহাড়,পর্বত,সুড়ঙ্গের গভীরতা,মালভূমি,খাত-গিরিখাত পুরো মেপে-খাপে খাপ চায়)
তবে সেই মেয়ে , ”টবকা মাল” আখ্যা পায়৷
এরপরে ১৭ ইঞ্চি বুক দ্বিগুণ ফুলিয়ে বন্ধুদের দারু খাওয়ানো তো সহজ সত্যি,
সঙ্গে শ্বশুড়ের মালকড়ি common demand..
৩২-২৪-৩৬ ,এতো বস্তাপচা statistics,
জানিনা,
এর আবার কোনও ”size modification” বাজারে launch হয়েছে কিনা!!
বাকি কেচ্ছা-কেলেঙ্কারি না হয়, নাই বললাম..
এই চাহিদার (চো**মি) তালিকা ফুরোয় না মানুষের,
অন্যদিকে ভালোবাসা ছাড়ে দীর্ঘশ্বাস,
হয়ে পড়ে বাজারি৷৷
ভালোবাসা হয়ে গেছে বিছানা বদলের খতিয়ান,
বিয়ে হয়ে গেছে free তে sex এর লাইসেন্স,
condom এর বিক্রি বাড়ছে
clips ও বাড়ছে
বিয়ের আগে অন্তসত্তার পরিমাণ বাড়ছে,
বাড়ছে গর্ভপাত,
i-pill এর বিক্রি বাড়ছে,
suicide এর সংখ্যা বাড়ছে
তো কাকা,বাড়ছে তো সবকিছুই,
কিন্তু সমাজ টা পিছিয়ে যাচ্ছে…
আর লেখা দীর্ঘায়িত করছি না
এবার বাকী কথা তোমরা বলো৷
বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-
(আমি কিন্তু গুরুচন্ডালী দোষ,ইচ্ছাকৃত ভুল বানান ব্যবহার করি,
কেনো কেও জানো?
জানো না..
তোমরা কতটা মন দিয়ে লেখা পড়ো,সেটা বোঝার জন্য..
Spell বা plag check করিনা,একজন defensive tagline writer হয়েও৷
আমি খুশি হয়েছি,
এর আগে দুজন আমার ইচ্ছাকৃত ভুল ধরতে পেরেছেন,
ধরে নিয়েছি তারা মন দিয়ে লেখা পড়েছেন৷
কেও না জানালে,পরে নিজেই শুধরে নি,
এছাড়া অনেক ব্যক্তিগত প্রশ্ন তোমরা করে থাকো,সময় আসুক সব উত্তর দিয়ে দেব,
আর যতদিন বাঁচব,এরকম আছোলা দিয়ে যাব,দেখবে যেন কান-টান,এদিক-ওদিক গরম না হয়ে যায়,
সেই দায়িত্ব কিন্তু আমার নয়৷)