অসমাপ্ত অনুভূতি-(PART-1)

ফ্রেন্ডলি্স্টে সবুজ আলোয় আর জ্বলো না তুমি,
এখনো চাইলে পেতে পারো হঠাৎ হারানো ভূমি৷৷
হ্যাঁ আমার পরবর্তী সিগারেটের নেপথ্যেও শুধু তুমি৷

তোমাকে নিয়ে অতি সাম্প্রতিক যে লেখাটা শুরু করেছিলাম,
তার শেষ লাইনটা
আমি আজও লিখে উঠতে পারিনি,

(কারণ কিছু অনুভূতি মরে গিয়েও বেচেঁ থাকে
আর আমি আগেও লিখেছি যে মানুষ আজকাল সুন্দর মুখ কে বিশ্বাস করে ঠকে
অথচ সুন্দর মন কে তুচ্ছ ভেবে আগ্রহ প্রকাশ করেনা৷
আর এখন তো অধিকাংশই better options এ বিশ্বাসী opinion এ নয়৷)

অসমাপ্ত অনুভূতি-(PART-1)

বিগত কয়েকদিনের চেষ্টায়,
আমি আজও সেই
লাইনটাতে লিখতে পারলাম না,
যে তুমি প্রতারণা করেছো,
ভুল করেও যে আমি পারবো না বলতে
তুমি ছলনাকারী,
খেলেছো কারো জীবনের
শেষ অনুভূতি গুলো নিয়ে, জেনে শুনে ;
প্রাণ খুলে হেসেছো তুমি,
পরাজিত ভেঙে যাওয়া এই আমাকে দেখে৷
সেদিন কেঁদেছিলাম,
সত্যি খুব কেঁদেছিলাম স্বপ্ন ভাঙার যন্ত্রণায়৷
আজোও সেই কান্নার জল বয়ে যায় এ চোখ থেকে,
মুছে যায়নি আজোও সেই যন্ত্রণার চিহ্নটুকু৷
তবুও বেঁচে আছি,
আমার আমিকে প্রচন্ড ভালোবেসে৷
তোমার অসমাপ্ত অনুভূতি আর নিকোটিনে
অর্থহীন অণীশ ধুকছে জালি প্রেমের যন্ত্রনায়৷
হয়তো অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো একদিন
তোমার জীবনেও আসবে,
যেদিন স্মৃতির তীরের ছোবল তোমাকেও কাঁদাবে ।
সেদিন হয়তো আমি অনেক দূরে থাকবো,
যেখানে তোমার চোখের জল গড়িয়ে
আমি অব্দি আর পৌছবে না,
মনে করিয়ে দেবেনা,
কারো চোখের জল আমায় কষ্ট দিতো ৷
মনে করিয়ে দেবেনা,
আমার চোখের জল
কারো হৃদয়ের আনন্দ ছিল ৷
স্মৃতি গুলো বার বার আমাকে বলবেনা,
তুমি এক মিথ্যাকে ভালোবেসেছো ৷
তবুও আশ্চর্য এই যে,
তোমার ছোট্ট একটি মিথ্যে,
গোটা আকাশটাকে ধ্বংস
করে দেয়নি,
কেবল ধ্বংস করে দিয়েছে আমার আকাশটা৷
ছোট্ট একটা স্বপ্ন,ছোট্ট একটা আশা ফুরিয়েই গেলো না হয় তোমার মিথ্যে
ভালবাসায়।
যদি হৃদয় ভাঙ্গার খেলায় আবারও মেতে উঠতে চাও,
তবে ফিরে এসো কোন এক বৃষ্টি ঝরা সন্ধ্যায়।
আমি আবার আমার ভাঙ্গা হৃদয়টা তোমার হাতে তুলে দেব,
দেখি হৃদয় ভাঙ্গার খেলায় তুমি কতোটা পারদর্শী।।

আমার বর্ণহীন দুনিয়ায় আমি একাই বর্ণহীন
আর তুমি কেবলই নতুন স্বপ্নে রঙীন,
থাকো তুমি,
যদি কখনো তুমিও বর্ণহীন হও
তবে ফিরে এসো৷
আমার স্বপ্ন গুলো একা থাকুক.
বৃষ্টি ভেজা রাতে আমার দু চোখের জল
কি আসে যাই তাতে,
তাতে সুখ গুলো সব তোমার থাকুক ;
দুঃখ গুলো আমার,
রাতের তারা তোমার থাকুক…
______________________ অন্ধকারটা আমার৷ (ANISH/UNCUT)

Valentine OVERDOSE

#Dedicated_post_BLOG_POST #1st_time for d #opposite_SEX

(লেখাটা uncut ঠিক দিলামনা,অনেক কথা কেটে-ছেঁটে,পোস্ট করছি,বেকার বিতর্ক বাড়িয়ে লাভ নেই, #প্রিয়াপ্রকাশের ভুরূ ঝড় এখন অনেকটাই কমেছে,তাই আপনাদের কাছে আজকে আমার একটাই আবদার মোটামুটি ২৫ মিনিট সময়,এমনিতেও আজকের দিনটাই অনেক মূল্যবান সময় মানুষ নষ্ট করে ফেলে,পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে দুঃখ পায়,সেখানে মাত্র ২৫ মিনিট সময় বেশী কিছু নয়।যারা আমার পেজের #profile_pix এর blog টা পড়েছেন,তারা অবগত যে,আমি কথা দিয়েছিলাম লেখাটা প্রথমে fb তে দেবো,পরে আমার #website এবং #wordpress_blogspot এও দিতে সক্ষম হব,যদি আপনারা সাহসের সঙ্গে পুরো লেখাটা পড়ে,আমাকে মত প্রকাশ করতে সমর্থ হন তো।আরেকটা কথা,আমাকে কেও দয়াকরে রাজনীতি এবং ধর্মীয় লেখালেখি করার পরামর্শ দেবেন না,কারণ ভারত-বাংলেদেশ মিলিয়ে প্রায় সব ধর্মের এবং রাজনীতির মানুষ আমার সশ্রদ্ধ পাঠক,তারাই আমার নিউক্লিয়াস।)

Valentine OVERDOSE

চারটে মেমে পোস্ট বানিয়ে,আর একটা #ন্যাপকিন হাতে তুলে নিয়ে জালি ফেমিনিসিম শো অফ করে #TRP বাড়ানো যায়,মানুষের পরিচয় দেওয়া যায় না।এইকদিন হঠাৎ করে ফেমিনিস্ট হয়ে ওঠা,ন্যাপকিন বিশরদ ন্যাকা মানুষগুলোর #WHISPER_STAYFREE Selfie ঝড় দেখতে দেখতে আমি বিরক্ত ও বীতশ্রদ্ধ৷এই ছবিগুলোর মাধ্যমে,আদতে মেয়েদের কে দুর্বল এবং অপমান করা যায়,আর কিছুই নয়;মেয়েদের খুব স্বাভাবিক,শারীরিক একটা ব্যাপারকে legalized দেখানোর জন্য,সহানুভূতি প্রকাশের অছিলায়, নিজেদের publicity বাড়ানোর কীসের এত প্রয়োজন ছিল আমার জানা নেই,অথচ এই duplicate নারীবাদীরাই নিজেদের ডায়েরিতে মেয়েদের #periods এর #date টুকে রেখে, #Jelly_পাউরুটি খেতে চাওয়ার নোঙরা আবদার করতে ভোলেনা,ভীড় বাসে নরম নারীশরীর স্পর্শ করতে,এদের জিভ দিয়ে লালা ঝরে,পরে #FEMINISM এর নাম ভাঙিয়ে ঘরে গিয়ে,সেই নারী শরীর স্মরন করে বার দুএক হস্তমৈথুন,অথবা গার্লফ্রেন্ড কে বাধ্য করে,গন্ধ শোঁকার জন্য ভেজা প্যান্টি সংগ্রহ করা,এই বিকৃত মস্তিষ্কের শয়তান গুলোর কাছে,এগুলো-#আলু_সেদ্ধ-ঘী_ভাতের মতোই সস্তা এবং উপাদেয়৷এরাই আবার নিজেদেরকে নারীবাদী দাবী করে,নিজেদের যে সামান্য মান-সন্মান মানুষ হতে গেলে লাগে,সেটুকুও খোয়াতে চায়৷নিজেদেরকে অশ্রাব্য বলার আগে,আমার কাছে ৫ দিন ট্রেনিং নিয়ে যাস৷অশ্রাব্য হল সেই সত্যিসমূহ যা প্রকাশে দম লাগে,সাহস লাগে,সততার প্রয়োজন হয়,জিভের লালা শুকিয়ে যায়৷

#রক্তক্ষরণের_যন্ত্রণা,শুধু একজন মেয়েই সহ্য করতে পারে,যার জন্য একটা সন্তান তৈরী হয়,সুতরাং ওই #Kotex হাতে সহানুভূতি দেখিয়ে মেয়েদের অপমান করে,নিজেদের বাজারদর না বাড়িয়ে,মেয়ে-জাতিকে যোগ্য সন্মান করতে শেখ৷জানিনা,এই লোক দেখনো #PADMAN দের প্যাডপর্বের অবসান কবে ঘটবে৷এমনিতেই অনেক মুনিঋষি অনেক মতবাদ ইতিমধ্যেই দিয়ে ফেলেছেন,তাই আমি আর খাপ খুল্লামনা,এমনিতেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আজ আলোচনা করতে এসেছি,তাই এইসব লোকদেখানো FEMINIST দের #আঁতলামো চর্চা করে আরও ২ মিনিট অতিরিক্ত নষ্ট করার বিন্দুমাত্র অভিপ্রায় আমার নেই৷

#ভ্যালেন্টাইন ডে সম্পর্কে আমার বেশী জ্ঞান দেওয়াটা একেবারেই মানায় না,কারণ এই দিনটার বাস্তবিক প্রতিফলন এখনও আমার জীবনে ঘটেনি আর কখনো ঘটবে বলেও আমি মনে করিনা।সুতরাং অনভিজ্ঞ মানুষ,প্রথমেই মাফি চাইবো যদি ভুল কিছু বলে থাকি,ব্লগার হয়েও বিস্তারিত বর্ণনা এখন প্রায় করিইনা,ট্যাগলাইন বা পাঞ্চলাইন পোস্ট করে থাকি,জানিনা কেন আমি “বাল” লিখলেই বাওয়াল পয়দা হয়ে যায়,তো দীর্ঘ ৬ মাস পর আপনাদের এই বিশেষ দিনে আবার এসে পড়েছি এই কড়া পাওয়ারের ক্যাপসুল টাকে নিয়ে..তাড়াতাড়ি করে লেখা তাই প্রুফ সংশোধনও খুব জলদি সারতে হলো..তো ভাট বকা শেষ করে মূল গল্পে ঢুকি এবার..

আপনারাই বলুন-সারাবছরের জমানো ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ কী এই একটা দিনে ঘটানো সম্ভব?
লোকে বলে এটা নাকি ফাটা-ছেঁড়ার দিন…
জানিনা কিছু ব্যতিক্রম নিশ্চয়ই রয়েছে
লেখা শুরুর আগে ৮ থেকে ৮০ সবাইকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা..বেকার রিস্ক না নিয়ে হেলমেট পড়ে ড্রাইভ করুন..কারণ সবারই জানা যে এক গামলা দুধে মাত্র এক ফোঁটা লেবুর রসই যথেষ্ট ছানা বনানোর জন্য..খেয়াল রাখুন..গাড়ি যতই pick up এ চালান না কেন,যাত্রীর যেন দুর্ঘটনা না ঘটে..
#ভালোবাসো..
#ভালোথেকো..
#ভালোরেখো..

(#CAUTION-এই কট্টর ভাবে সমাজের নগ্নতা প্রকাশ করতে সত্যিই আর ভালোলাগেনা,কারণ সমাজ তার নিজের জায়গায় অবিচল,#প্রেম_ভালোবাসার কিছু #sideeffects নিয়েই এই বাস্তবিক আলোচনা টা তোমাদের সাথে করতে আসা…খুল্লমখুল্লা ব্যক্ত করছি তাই ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ লেখাটা পড়বেন না..আর এই লেখার সাথে আমার ব্যক্তিগত জীবনের কোনও মিল নেই…যদি কারোও জীবনের সাথে সাদৃশ্য থেকে থাকে তা নিন্তাই #অনিচ্ছাকৃত,আমি #ক্ষমাপ্রার্থী…লেখাটা আমার #বাংলিsh অনেক পুরনো একটা #বহুবিতর্কিত লেখা..অনেক পরিবর্তন করলাম বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা এবং তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে, লেখাটা আমার OfficialWebsite, facebook এবং blogspot এ আনছি৷নারীবিদ্বেষী হিসাবে বাজারে দুর্নাম ছিল আমার দীর্ঘদিনের(বর্তমানে সমর্থক,সেটা আমার লেখা যারা পড়েন,জানেন) ৷অনেকক্ষেত্রেই সমালোচনা করে এসেছি,কিন্তু আজকের লেখাটা মেয়েদের কে রাস্তা হাঁটার সতর্কীকরণ দিয়ে যাবে নিশ্চিত ভাবেই…
চলুন শুরু করি..
হোটেলে,ফ্ল্যাটে,রিসর্টে,ঝোঁপের আড়ালে, ক্লাবে,পাবে সেক্স সেক্স খেলেছ,সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায়..
প্রেমিকের সাথে যখন তখন #PHONE_SEX করেছ সেটাও নিজের ইচ্ছায়..
ডেটে গেলে শরীরের গিরিখাত-মালভূমি-পর্বতশৃঙ্গ থেকে সুড়ঙ্গের প্রতিটা খাঁজে-ভাঁজে হাত লাগাতে প্রশ্রয় দিয়েছ,বা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেলের শিকার হয়েছ,সেই নারী তুমি৷(হাত ছাড়া বাকীগুলোর উল্লেখ আর নাই বা করলাম,সেই একই সূঁচ-সুতো কনসেপ্ট)
আচ্ছা!!!কাওকে জিজ্ঞেস করেছো, কাজটা ঠিক না ভুল করছো??
করোনি..
এইবার দিনের শেষে প্রেমিক তোমাকে পরিপূর্ণ ব্যবহার করে ছেঁকা দিয়ে চলে গেল, এতক্ষণ তুমি আবেগে ডুবে ছিলে,পরের মাসের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তোমার সৎবিদ ফিরলো..যখন তোমার মৌমাছি যথারীতি অন্য ফুলের মধু চুষতে ব্যস্ত..এইবার তোমার মাথায় বুদ্ধির উদয় হয়েছে.. এখন তুমি বলছো, পৃথিবীর সব ছেলেরাই খারাপ..
তুমি যে নিজে না বুঝেশুঝে একটা গিরগিটি কে প্রশ্রয় দিয়ে,সারাজীবনের সেরা ভুলটা করে ফেলেছ ; এই বোধ টা তোমার যখন জাগলো,তখন তুমি অন্ধকার ঘরের বাসিন্দা৷আর এটা তোমাদের সকলেরই জানা বিয়ের আগে ফাটা শরীরকে আমাদের সমাজ পাত্রস্থ করা তো দূর কী বাত,গ্রাহ্যই করেনা,তকমা পায়-#সফিসটিকেটেড_বেশ্যার…কারণ মেয়েরা এই ব্যাপারটা গোপন করার চেষ্টা করলেও পারেনা..কারণ ধুরন্ধর বর পর্দা সরাতেই পর্দাফাঁস করে ফেলে…সেওতো নানা ঘাটালের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে আসা একজন ভদ্র মুখোশ…ব্যস অশান্তি শুরু…মেয়ের গন্তব্যস্থল পুরোপুরি বাপের বাড়ী…ছেলে তখন ফ্রেস শরীর খুঁজতে ব্যস্ত,আর মেয়েটা শোকে দিশেহারা..জীবন্ত পাথর…অনেকক্ষেএেই আত্মহত্যার ফলশ্রুতি…কিছু ভুল বল্লাম কাকিমা?মেয়েদের সাথে বন্ধুর মতো মিশুন,বোঝান…দেখবেন এগুলো আর ঘটছে না..অণীশের কলম থেকে আবার কবে একটা রকেট লঞ্চার বেরোবে সেই অপেক্ষায় থাকবেন না মাসিমা….
তাহলে?মেয়েরা?বলো?
তোমাদের তো এসব ছেলেপুলেই পছন্দ নাকি?,
যারা মিষ্টিকথা বলে মেয়ে পটাতে পারে,
আর আগেও লিখেছি..
যাদের কমপক্ষে একটা 250cc আছে,
Dslr এর মালা পড়ে আজকাল তো আবাল বাচ্চাও ফটো নয়,Certified ফুটোগ্রাফার..
হিরো মার্কা-ফুল-হ্যান্ড Tattooed..(অথবা যারা হয়ত বংশদন্ডের মাথাতেও পিয়ারসিং করায় / আর এখন তো যাকেই দেখছি,তলায় বাল না থাকলেও গালভর্তি দাঁড়ি সবার কম্পালসারি)
মন বলে যে একটা বস্তু আছে সেটা তো তোমরা মেয়েরা তখন কামনার চিৎকারে ভুলেই যাও।
আচ্ছা ম্যাডাম,একটা কথা বলো..
একজন ছেলের personality বলতে কি বোঝায়??
বোঝো?
না তোমরা বোঝার চেষ্টায় করোনা…..
করো,
তবে সেটা মারিয়ে যাওয়ার পর।
এসবের পর, তুমি যে নিজেই তার হাতে তোমার সম্ভ্রম তুলে দিয়ে,
তার কাছে তোমাকে সস্তা করে দিয়েছ,
তা আর স্বীকার করবে না!!!
আর ওই ছেলে নিশ্চিত বাইরে বলে বেরাবে “ওই মেয়েটা ভালো না,ছেলেচোষা মাল,আমিও ওকে করে ছেড়ে দিয়েছি ………ব্লা-ব্লা-ব্লা”।
এই কথা তো আর মিথ্যা না।
তাকে এই কথা বলার সুযোগ দিলো কে?????
কী চুপ কেন?
উওর কোথায়?
তুমিই তো নাকি???
এরপর গোটা পুরুষ জাতিকে গালি দিয়ে,
বাবা-মা এখন যার সাথে বিয়ে দেবে,
তাকেই বেছে নিয়ে চুপচাপ হয়ে যাবে বাধ্য হয়ে…
তোমার ওই ব্যবহৃত শরীরকে সতীত্বের মিথ্যা মোড়কে পেচিয়ে তাকে উপহার দেবে।যদিও আগেই লিখলাম,তাতেও ধরা পড়ে যাবে..( Biggest blunder foreva I think)
হ্যাঁ, বাবা-মা যা করে সন্তানের ভালোর জন্যই করে।
তবে আগে কেন নিজে নিজে পছন্দ করতে গেলে???
আর করলেই যখন,মানুষটাকে সঠিক নির্ণয় করতে কেন পারলেনা?
ভুগতে তো বস্ তোমাকে হচ্ছে,
জীবনের গাঁড় তো তোমার মারা গেল..
বাকী পৃথিবী তো তখন সহানুভতির ললিপপ চুষছে..
আর তোমার কাছে তখন চোষার জন্য আঙুল ছাড়া আর কিছুই নেই
বলি বাবা-মার উপরকি ভরসা ছিলনা,নাকি
পাগলামি টা বেশি ছিল????
কোনটা?
————————————————————————————
এইবার রাস্তাকালীন একটা কখোপকথন নিজের ভাষায় তুলে ধরতে চাইবো,বাসের ঠিক আমার পেছনের সীটে বসা দুই বন্ধুর সহাস্য আলোচনা সুস্পষ্টভাবেই কানে আসছিল আমার..

১ম বন্ধুঃ শোন বানচোদ,
সুতপা কে তুলে নিয়েছি,বেশী খাটটেও হয়নি,শুধু সাধুপুরুষের একটা ২-৩ দিনের অভিনয় করেছি মাত্র,এতেই বরফ গলে পুরো শরবৎ হয়ে গেল৷

২য়বন্ধুঃ বাঁড়া চল,মদ খাওয়া; তা অনুভার কী হল?

১ম বন্ধুঃ আর বলিস না, বেশি ভাব নেয়, একটু নাড়াচাড়া করলেই চিৎকার করে ওঠে,ওটাকে হাল্কা করে হাত লাগিয়েই ছেড়ে দিয়েছি,মজা পাইনি৷ওর চাইতে চন্দ্রিমা ভালো ছিল,ওইটাকে তো ভালোই মালিশ করেছি,পিল খাইয়ে ছেড়ে দিয়েছি,বীজ পুতে লাভ নেই,এইসব টেম্পোরারি কাজ চালানোর জন্য ঠিকাছে৷

২য় বন্ধুঃ কত বড় খা*কির ছেলে তুই সত্যি,তা এইটাকে কতদিন রাখবি?

১ম বন্ধুঃ ভাই তুই তো জানিস, এক ফুলের মধু বেশিদিন খেতে ভালো লাগে না আমার,পচে গেলেই কোনও অজুহাত দেখিয়ে গ্যারেজ করে দেব,এসব কী আর আজ থেকে করছি বল?ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ানোয় আমার নেশা।সুতপার সাথেও ফাইনাল ম্যাচ খেলে ছেড়ে দেব।

২য় বন্ধুঃ জাত ঢ্যামনা মাইরি,এতগুলা মেয়েকে একসাথে চালিয়ে,আবার ঠিক সময়মতো সাইড করে দিস…তোকে যে খিস্তিই মারি কম পড়ে যাবে জানোয়ার..

১ম বুন্ধুঃ সে যা খুশি বল,আমার তো খাপে খাপ হয়ে যাচ্ছে, এই শোন তনয়া ফোন করছে, তোর
সাথে পরে কথা হবে।এই মাল কেবল শুরু করেছি পটানো,একটু ঘাম ঝরাতে হবে৷

২য়বন্ধুঃ এই মাছটা আবার কবে ধরলি?

১ম বন্ধুঃ গতকাল,মোহরকুঞ্জে;বাচ্চা মেয়ে,১২ এ পড়ে, ১ম বন্ধুটি বিজয়ীর মত হাসি দিয়ে চলে যায়।

এই টাইপের শুয়োরের নাতি গুলোকে Master flirterer অথবা
PLAYBOY বলি আমরা৷গায়ের শার্টের মতো মেয়ে বদলানো এদের জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য৷এরা একসাথে কয়েকটা Relation করে,খাওয়া-দাওয়া হয়ে গেলেই, ছুড়ে ফেলে দিয়ে,আবার ব্রান্ড নিউর খোঁজে হানা দেয়৷এভাবেই এরা মিথ্যে ভালোবাসার স্বপ্ন দেখিয়ে,একটার পর একটা শিকার চালিয়ে যায়৷

এদেরকে আধুনিক ছেলেও বলা হয়, Full hand Tattoos or Bracelate, চুলে জেল, অনেকে হয়তো বংশদন্ডেও piercing করায়,অন্তত ১টা ২৫০cc,একটা Nikon এর DSLR,কখন তো আবার গাল ভর্তি দাঁড়ি রাখার প্রতিযোগিতা চলছে বাজারে,সঙ্গে i-phone এর last এডিশনে,নিজেদেরকে updated রাখে,ওমা!!নাহলে বাজার ডাউন হয়ে যাবে না৷এই পরিপাটি করে সারাদিন স্কুল/কলেজের গেটের আশেপাশে, মেয়েদের পিছন পিছন গাঁড়বাজারি করায় এদের প্রধান জীবনের মোটো৷এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া তো ছেড়েই দিন৷পয়দা হওয়ার পরেই, দুধ খাওয়ার আগেই মনে হয় ফেসবুক একাউন্ট তৈরী হয়ে যায় আজকাল..
১৮-২৮ বছর সময়টা হল অদ্ভুত একটা সময়।এইসময়ে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা,খামখেয়ালিপনা দুটোই থাকে বেশী,প্লে-বয় টাইপের ছেলেরা একটু বাহ্যিক আকর্ষক হয় বলে মেয়েরা তাদের জালে ফেসে যায় খুব সহজেই৷আবেগের বশবর্তী হয়ে সম্পর্ক করে,নিজের সতীত্বটুকু হিংস্র কুকুরের কাছে তুলে দেয়।
অতঃপর সেই কুকুরটা সব চেটেপুটে খেয়ে চলে যায়।দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি বেশীরভাগমেয়েরা এদের প্রেমে পরে,তারপর একটা accident ঘটিয়ে দুনিয়ার সকল ছেলেদের একরকম মনে করে,ঘরের এক কোনায় নিশ্চুপে কেঁদে কেঁদে রাত পার করে দেয়,কেউবা আবার নিজের জীবনকে বিসর্জনও দিয়ে দেয়।

মেয়েদেরকে বলছি………
ভালোবাসো কোনও সমস্যা নেই,কিন্তু অন্ধ ভালবেসে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে, নিজের সতীত্বটুকু দিয়ে এসোনা,একটা কথা মনে রেখ,যদি কোনও ছেলে ভালোবাসার দোহায় দিয়ে ভোগ করতে চায়,তবে সে তোমাকে নয়, তোমার দেহকে ভালবাসে।
এই প্রসঙ্গে আলোড়ন ম্যাগাজিনে পাঠানো অনেক পুরনো কয়েকটা লাইন উল্লেখ করছি..
তোদের প্রেমে শরীর খুব তাড়াতাড়িই আসে।
ভার্জিনিটি খোয়াস তোরা আনন্দ অক্লেশে।
ফূর্তি শেষে অনাদরেই ধ্বংস করবি প্রাণ?
এই কি তোদের জীবনাদর্শ নিউ জেনারেশান।
সংযমেতেই বাড়ে প্রেম বুঝবি কবে ওরে?
দীর্ঘশ্বাসে ঘুরবি তোরা প্রেমের দোরে দোরে।
পাশে বসে হাতটা ছুঁয়েই হৃদয় দেওয়া নেওয়া।
এ প্রেম বোনু হয় না বাসি,যায় না দিদি খোওয়া।
দু চোখ থেকে বইয়ে দে মা অগাধ জলরাশি।
মৌনতাতেই বুঝিয়ে দিবি ‘তোকেই ভালোবাসি’।

মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্যে বিগলিত না হয়ে,মনের পবিত্রতা খোঁজো,যদি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারতে না চাও৷একহাতে তালি বাজে না,এটা আমরা সবাই জানি,তুমি না চাওয়া পর্যন্ত কেউ তোমার গায়ে ফুলের টোকাও দিতে পারবে না।যদি দেয়,বেশী ভাবার দরকার নেই,দুই পা এর মাঝখানে কষিয়ে একটা সুযোগ বুঝে দিয়ে দাও,টাকে উঠে যাবে,আর সরকারও তোমাদের পক্ষেই আছে,এই আত্মরক্ষা বিষয়ক ক্ষেত্রে৷

আবেগ দ্বারা নয়, বিবেক দ্বারা সিদ্ধান্ত নাও, কোনও কাজ করার আগে দশবার ভাবো।তোমার দেহ, তোমার সতীত্ব,তোমার সম্পদ , একে হেফাজত করার দায়িত্বও তোমার।তোমার জীবন অন্য কারও জীবনের পরিপূরক নয়,কারণ
জীবন একটাই।জীবনে চলার পথে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে নিজের পরিবার কে জানাও,তোমার বাবা মায়ের বিবেক-বুদ্ধি তোমার থেকে বেশি,তোমার অমঙ্গল হোক ,এমন কিছুই তারা বলবেন না।চাইবেনও না৷
প্রেম কর,ভালোবাসো,কোনও সমস্যা নেই,কিন্তু নিজের মূল্যবান জীবনটা অন্য কারোও জন্য অবহেলায় নষ্ট কোর না।আর, হ্যা বস্,এটা খুপরিতে সাজিয়ে নাও,
খালি টাকার পিছনে না ঘুরে ভালোবাসার মর্মটা বুঝতে শেখো।
বালিকা তোমার প্রেমের পদ্ম দিওনা এমন জনকে,
যে ফুলে উড়ে উড়ে ,মধু পান করে
অবশেষে ভাঙ্গে মনকে..
এবার বলতে চাইবো সমাজে দুর্বিষহ অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহারের কথা৷

কালের বিবর্তনে বদলে গেছে ভ্রান্ত ও শুদ্ধ মানুষের ভালোবাসা!
মনের সাথে মনের মিলন দেখি না তো আজ!
যা আছে তা যৎকিঞ্চিত!
বাকীটুকু শুধুই দুটি শরীরের মাত্রাতিরিক্ত সংঘর্ষ!
আজ আমার মনে প্রশ্ন জাগে,
প্রেম মানেই কি দুটি মনের মিলন,
না কি অন্ধকারে দেহের চাহিদা পূরণ!
প্রেম মানেই কি অনাকাঙ্কিত চাওয়া পাওয়া,
না কি কিছু পেয়ে, শূন্য হাতে ফিরে চাওয়া?
আমি বুঝিনা প্রেম শব্দের অর্থ, তবুও আজ আমি ব্যার্থ প্রেমিক!

অন্ধকারে রাস্তার পাশে ভ্রুণের উৎপত্তি হয়!
পার্কে দিবারাত্রিতে ভ্রুণের উৎপত্তি হয়!
5* হোটেল,রেস্তোরায় ভ্রুণের উৎপত্তি হয়!
পাটক্ষেত- ধানক্ষেত সর্বত্রই ভ্রুণের আবাসস্থল!
মনুষ্য জাতির প্রধান কাজই কি ভ্রুণ উৎপাদন?
আমাদের নাম নারী-পুরুষ কেনো?
আমাদের সুন্দর ও সার্থক নাম- ভ্রুণ উৎপাদনের কারিগর হওয়া উচিত!
আবর্জনার স্তুপেও দেখি মানবশিশু,
মনুষ্যজাতি উত্তর দাও,আজ তোমাদের মনুষ্যত্ব কোথায়?
ছায়া দিয়ে কি ছায়া ঢেকে রাখা যায়?
Nope..
いいえ…没有
আমার এই লেখাটা হয়তো অনেকের কাছেই ভালো লাগবে না, কিন্তু বিষয়টা একটু ভেবে দেখবেন।সব মেয়েকে বোঝানোর জন্য এই পোষ্টটা নয়,শুধু মাত্র সেই সব মেয়েদের জন্য,যারা একজন পুরুষের কাছে ঠকে গোটা পুরুষ জাতিকে একই রকম মনে করে, আর যাদের জীবন,আমার এই ব্লগটির মত, হুবহু এক।কাউকে ছোট করার বা অসম্মান করার জন্য এই ব্লগটা নয়…তবুও যদি কারোর খারাপ লাগে তো ক্ষমা করবেন,জানিনা কতজন পুরো লেখাটা পড়লেন,যদি কারও চলার পথে পাথেয় হয়ে উঠতে পারে,তবেই আমার
সার্থকতা__________________________________(ANISH/UNCUT)

অতঃপর একটা চুমু..

অতঃপর একটা চুমু

অতঃপর একটা চুমু || দুটো ঠোঁটের মূল্যবোধ রক্ষার্থে || সম্পূর্ণ কাল্পনিক || বিতর্কিত লেখা

কতো দিন চুমু খায়নি সে..
দীর্ঘ প্রগাঢ় ঘন চুম্বন,
আদুরে কোমল ঠোঁটের পাতায়..
কতোদিন তবু পান করেনি ঐ
আকন্ঠ নীল সুরার,
আবেগি কামনার স্বাদ !!

অলস জিভের আড়ষ্ট ছোবল >
উপোসী দাঁতের কামড়..
ঋণাত্নক নিম্নচাপ,
বর্ধিত ফারেনহাইটে তলপেটের চিনচিন ব্যাথা,
ফেটে বেরিয়ে আসতে চাওয়া থার্মোমিটারের গরম পারদ,
প্রতি শিরায় উপশিরায় উষ্ণ রক্তস্রোত,
শুকিয়ে আসা লালায়,
কতোদিন সে রাক্ষুসে
নিকোটিন মাখা কালচে ঠোঁটে,
আকুল খোঁজেনি,
চুষে খাওয়া উগ্রতা…
শুধু একটি চুমুর তরে,
সে হয়তো শুষে নিতে পারে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ,
সাড়ে সাত লক্ষ আণুবীক্ষনিক অলস জীবানুর দল..
মুখে জমে থাকা মাছের আঁশটে গন্ধ…
অতঃপর ..
চুমু যে সে ,খায়নি দীর্ঘকাল !!!!!

[অণীশ/আনকাট]⚓

অনুভূতির অধঃক্ষেপ

(বাংলা হরফে লেখার জন্য প্রতিদিন তোমরা আমাকে বলছো,
কিন্তু অনেকেই বাংলা হরফে সরগত নয়
তাই আমাকে বাংলা লেখা ইংরাজি হরফে লিখতে হয় বাধ্য হয়েই
একজন Bengali ট্যাগলাইন এবং Blogger হিসাবে চাইবো আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী লেখা পেশ করার)

পয়লা বৈশাখ
পয়লা বাউ‍‍‌‌ন্সার
এটা মেয়েদের জন্য লেখা…

অদৃশ্য আমাদের অন্তরের একান্ত
অনুভুতি নামক সত্তা
মনের উঠোনে প্রতিদিন কত ভাবনা
অতিথি বেশে পড়শী সাজে…
অনুভূতিগুলো ইন্দ্রজাল ছিড়ে
মনছবির স্মৃতিময় প্রহরে
নিঃশব্দে পদচিহ্ন রেখে যায়…
আর আরশীনগর পড়ে রয় ধূসর বিবর্ণ
আহত প্রজাপতির স্পর্শ নিয়ে………………………

“সেক্স না করলে তোমার সাথে রিলেশন রাখবোনা” -এমনই হুমকি আজকাল আকছার ছেলেরা প্রেমের জালে জরিয়ে পরা innocent মেয়েদের দিয়ে থাকে…

এই বিষয় নিয়ে এর আগেও লিখেছি আবার ও লিখছি …
কারন প্রতিদিন এই ভালোবাসার ভনডামি টা বারতেই চলেছে ।আর অনেক মেয়েই মিথ্যে ভালোবাসার জালে জরিয়ে পরে জীবনের সেরা ভুল টা করে ফেলে
সত্যি কথা..
কেও ব্যেক্তিগত ভাবে নিওনা,আমার অনুরোধ.
কাওকে উদ্যেশ্য করে কনোদিনই কিছু বলিনি আমি
আর এটা ভালবাসা নয় জাস্ট মোহ এবং সেক্সের ফাঁদ সুতরাং এইসব প্লেবয় থেকে দুরে থাকাই শ্রেয়।
অনেকক্ষেএে শোনা যায় জে এই সব RELATION ব্রেকআপ হয়ে যায় ভীষন তারাতারি কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রেক-আপ হয়না বরং দুজনে সমান তালে চালিয়ে যায় ফোনসেক্স
তারপর রুমডেট,
লিভ টুগেদার ইত্যাদি ইত্যাদি…..বালছাল
এরপর অবহেলা,
ঝগড়া
অতঃপর ব্রেক- আপ।
শুরু হয় অন্যকারো সাথে রিলেশন
আবার এইসব নোংরামি।
এটাই হচ্ছে ডিজিটাল যুগের
ওভারস্মার্ট ছেলেমেয়ের প্রেমের প্রকৃতি।
তাদের কাছে প্রেম এখন ডেটিং সেক্স,কিস আর
চ্যাটসেক্স ও ফোনসেক্সের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে,
আর কিছু প্লেগার্ল আছে তারাতো ফোনসেক্স বা লিভ
টুগেদারের ক্ষেত্রে ছেলেদের চাইতে এগিয়ে,
ভালবাসায় এখন নেই কোন আন্তরিকতা,
বিশ্বাস ও হৃদয়ের টান।
লিভ টুগেদার, নামমাত্র প্রেম করে দুদিনের মাথায় অমুক তমুখ চিনটু,পিনটু,রিন্টু,বালটু র ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে সেক্স আদান প্রদানই হাল যুগের ছেলেমেয়ের কাছে এখন অত্যাধুনিক ফ্যাশন, ভালোবাসার অপর নাম।
আর সেক্স করতে রাজি না হলে ব্রেক-আপ করে ওভারস্মার্ট ছেলে।
আবার কিছু মেয়েও আছে যারা সেক্সকেই প্রেমের মুল উপাদান মনে করে থাকেন।
এক মেয়ে এমনই একটি কমেন্ট করেছিলো লিভ টুগেদার বিষয়ক এক পোস্টে, কমেন্টটি এইরূপ “প্রেম করলে বয়ফ্রেন্ডের সাথে সেক্স করতেই পারে এটা ব্যভিচার কেন হবে?
এরপর তার কমেন্টের রিপ্লাই দেয়ার প্রয়োজন হয়না সে কোন স্কেলের মেয়ে
তা দুধের শিশুও অবগত হয়ে যাবে নিমেষে।
খুব অবাক লাগে ওভারস্মার্ট একটি মেয়ে যখন তার বয়ফ্রেন্ডের দামি গিফটের
বিনিময়ে রুমডেটে সেক্স করে তাকে স্যাটিসফাই করে।
ধীরেধীরে আমরা তলিয়ে যাচ্ছি অন্ধকার যুগে যখন বিনা বিবাহবন্ধনে মিলন
হত।
অবশ্য এসব ওভারস্মার্ট প্লেবয় বা প্লেগার্লদের ভাগ্যই প্রেম জোটে আর ভালো
ছেলেমেয়েরা সিঙ্গেল।
এরা সেকালে কারন এরা সারারাত ব্যাপি ফোনসেক্সে বিশ্বাসী নয় বা লিভ টুগেদার করে প্রেমের সুনাম নষ্ট করতে নারাজ কারন
এরা অতি আধুনিক হতে গিয়ে স্রষ্টার দরবারে অপরাধী হতে রাজি নয়।
তো আসুন নোংরামি বন্ধ করার ব্যথ৴ চেষ্টা করে দেখি।

___একটা ছেলে(obviously in the case of an honest,loyal real lover guy) সত্যি কি চায় শুনবেন ?? ঠিকআছে নিচে দেখুন
সবাই আমার সাথে একমত নাও হতে পারেন।
.
1)- একটা ছেলে চায়,কোন মেয়ে তাকে সত্যি ভালোবাসুক।যেই ভালোবাসায় থাকবে না কোন স্বার্থ । থাকবে না কোনও তৃতীয়পক্ষ৷
.
2)- অজস্র চুমুর থেকেও একটা ছেলে বেশি গুরুত্ব দেয়,মেয়েটা পাশে বসে তাকে খাওয়াক। আদর করে বলুক এইটা নিচ্ছনা যে।বা অভিমানের সুরে বলুক আমার রান্না ভালো হয় নি তাই না ….?
.
3)– অতি সাহসি ছেলেরাও চায়,তাদের বিপদে কোনএকজন মেয়ে নরম কন্ঠে বলুক” চিন্তা করো না সব ঠিক হয়ে যাবে
” .__একজন মেয়ে যেমন চায় তার জীবনে এমন কেউ আসুক যে তার স্বপ্নের রাজকুমার হবে, তেমনি একটা ছেলেও চায়। তাই ছেলেদের ভুলনা বুঝে তাদের সঠিক ভাবে বুঝতে শিখুন। কাজে লাগবে..!!______________________________(ANISH/UNCUT)